তারা হাওয়ায় মিলিয়ে গেল—আমি নিজের চোখে দেখেছি।
কিন্তু কোনো চিহ্ন নেই… যেন কখনো কেউ এখানে ছিলই না।
তখনই বুঝলাম—আমি এমন কিছুর সামনে দাঁড়িয়ে আছি, যার ব্যাখ্যা এখনো আমার জানা নেই।
আমি ঘোড়াটাকে ধীরে ধীরে ওদের পেছনে নিয়ে চললাম। যেন তারা কিছু বুঝতে না পারে।
রাস্তা ক্রমশ সরু হয়ে আসছিল। দুপাশে গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছিল।
বাতাসে একটা অদ্ভুত গন্ধ—পুরনো, স্যাঁতসেঁতে, আর একটু পচা কিছু একটা।
কিছুদূর এগিয়ে একটা জায়গায় এসে তারা থামল।
সেখানে একটা ছোট নদী এসে মিশেছে বড় নদীর সঙ্গে।
জলের শব্দটা অদ্ভুতভাবে প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল।
লোকটা গাড়ি থামিয়ে নামল।
আমি দূরে একটা ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রইলাম।
হঠাৎ—
কিছু একটা ঘটল।
আমি ঠিক বুঝতে পারলাম না কীভাবে, কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে তারা… অদৃশ্য হয়ে গেল।
হাওয়ায় মিলিয়ে গেল যেন।
আমি দৌড়ে গেলাম সেই জায়গায়।
চারপাশে তাকালাম।
কিছুই নেই।
না কোনো গাড়ি, না কোনো পদচিহ্ন, না কোনো গর্ত।
শুধু ফাঁকা মাটি।
আমি হাঁটু গেড়ে বসে মাটি স্পর্শ করলাম।
ঠান্ডা।
স্বাভাবিক।
কিন্তু আমার মনে হচ্ছিল—এই মাটির নিচেই লুকিয়ে আছে কোনো বিশাল গোপন রহস্য।
আমি ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালাম।
আমার ভেতরের পুরনো মানুষটা আবার জেগে উঠেছে।
ইন্টেলিজেন্স অফিসার—যে কোনো রহস্য ছাড়ে না।
আমি জানতাম—এটা এখানেই শেষ নয়।
এটা শুধু শুরু।